মুসলিম বিজ্ঞানী ফ্যালাসি ১ – হাসান ইবনে হাইথাম

গবেষনামূলক বিজ্ঞানের জনক বলে ধরা হয় হাসান ইবনে আল হাইথামকে যিনি আল হাজেন নামেই বিজ্ঞানী মহলে অধিক পরিচিত । তিনি তার তিন খন্ডে লিখিত “দ্যা অপটিক্স অফ ইবনে আল হাইথাম” এ গবেষণামূলক বিজ্ঞানের সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবেঃ

It is thus the duty of the man who studies the writings of scientists, if learning the truth is his goal, to make himself an enemy of all that he reads, and, applying his mind to the core and margins of its content, attack it from every side. He should also suspect himself as he performs his critical examination of it, so that he may avoid falling into either prejudice or leniency.

বাংলায় কথাটা দাঁড়ায় মোটামুটি এমনঃ

বৈজ্ঞানিক কোন ব্যাপারে পরীক্ষানিরীক্ষা করতে আগ্রহী কোন ব্যক্তি, যার কাছে সত্য জানাটাই মূল লক্ষ্য, তাকে প্রথমেই সেই বিষয়ে তার নিজের অর্জিত সমস্ত জ্ঞান সম্পর্কে সন্দিহান হতে হবে এবং সেগুলোকে সম্ভাব্য সকল দিক থেকে পরীক্ষার মুখোমুখি করতে হবে । তাকে তার নিজের করা পরীক্ষার ব্যাপারেও সন্দেহমূলক মনোভাব পোষণ করতে হবে যাতে করে তার নিজের পছন্দ বা ধারণা ফলাফল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রভাবক হিসেবে কাজ না করে ।বইঃ ১, অধ্যায়ঃ ১, ইংরেজি থেকে অনুবাদঃ এই অধম
“The optics of Ibn al-Haytham”, Page: 244

উনাকে মুসলিম বিজ্ঞানী হিসেবে মেনে তাকে নিয়ে গর্বিত হওয়ার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন, উনার এই দৃষ্টিভঙ্গির সাথে কি মুসলমানরা বা অন্তত আপনি একমত পোষন করেন? নাকি আপনার চিন্তাভাবনা এবং বিশ্বাসের অবস্থান উনার ঠিক বিপরীতে? আপনি যখন আপনার বিশ্বাসকে বিজ্ঞানের সাথে মেলাতে চান, তখন কি আপনি আপনার বিশ্বাসকে প্রশ্ন করার, প্রমাণসাপেক্ষে সেই প্রশ্নের অপছন্দনীয় উত্তরকে মেনে নেয়ার সাহস রাখেন?

 

বইটা কেউ পড়তে চাইলেঃ https://monoskop.org/images/f/ff/The_Optics_of_Ibn_Al-Haytham_Books_I-III_On_Direct_Vision_Sabra_1989.pdf

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *