মুভি রিভিউঃ টুয়েল্ভ মাংকিস

স্পয়লার এলার্টঃ কোন স্পয়লার নাই । আমার মাথায় প্যাঁচ খাবে না ক্যান বলেন? ছবিতে যে সাইকিয়াট্রিস্ট (রাইলি) তারই মাথায় প্যাঁচ খাইয়া গেছে, আমিতো কোন ছার ! ছবিটা শুরু একটা পোস্ট ডিজাস্টার ইভেন্ট থেকে । খাদ্য এবং সব রকম রিসোর্সের ঘাড়তিগত সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য ১৯৯৬ সালে একদল মানুষ (কারা তারা, সেই তথ্যটা দিলাম না) প্রাণঘাতী ভাইরাস দিয়ে দুনিয়ার ৫ বিলিয়ন মানুষকে মেরে ফেলে । মাত্র ১ ভাগ মানুষ বেঁচে যায় যারা আন্ডারগ্রাউন্ডে আশ্রয় নেয় । সেই অল্প মানুষদের একজন হচ্ছে জেমস কোল । তাকে বিজ্ঞানীরা অতীতে পাঠায় সেই ডিজাস্টারের ভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহের জন্য যেন তারা সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে …

প্রসঙ্গঃ ডুব সিনেমা এবং ফারুকীর ভন্ডামি

কাউকে উল্লেখযোগ্য কোন তথ্য না জানিয়ে ডুবে ডুবে “ডুব” মুভি বানিয়ে অবশেষে মাথা তুলতে গিয়ে পুনরায় শাওনের চাপে ডুবে যাওয়া মোস্তফা সরয়ার ফারুকির গত দুই দিনের কমেডি দেখলাম । সেসব দেখে নিজের কিছু চিন্তা এবং মতামত শেয়ার করতে ইচ্ছা হলো । ফারুকি কি নিয়ে মুভি বানাবেন, কিভাবে বানাবেন, সেটা একান্তই তার নিজের ব্যাপার । তবে মুভিটা যদি কোন ব্যক্তির জীবনের কোন ঘটনা নিয়ে হয়, তাহলে কমনসেন্সেই বলে যে, সেই ব্যক্তি বা পরিবার বা প্রতিষ্ঠান থেকে অনুমতি নেয়া আবশ্যক । ডুব ছবিটা হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে নির্মিত, এটা পরিচালক সরাসরি সংবাদমাধ্যমে না বললেও পত্র পত্রিকা, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাক্ষাৎকার এবং ফারুকীর নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাস …